আন্তর্জািক ডেস্ক:-প্রশাসনে অস্থিরতা, ‘বঞ্চিত’ পেশাজীবী-শ্রমজীবীদের বিক্ষোভের মধ্যে সংস্কারে উদ্যোগী ও ঐক্যের সন্ধানে থাকা অন্তর্বর্তী সরকার পাঁচ মাস পূর্ণ করেছে, সেই সঙ্গে জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেওয়ার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর চাপ দিন দিন বাড়ছে।
রাজনৈতিক দলগুলো বলছে, নির্বাচনে দেরি হলে এই সরকার বিতর্কিত হবে। আর দেশের অন্যতম বড় দল বিএনপি মনে করে, সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনা-দুর্ঘটনার পেছনে রয়েছে দেড় দশক কর্তৃত্ব করা বিগত সরকারের ‘দোসরদের ষড়যন্ত্র’। নির্বাচনে যত দেরি হবে, এমন সমস্যা তত বাড়বে।
অন্যদিকে অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কারের ওপর জোর দিচ্ছে। সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও তাদের উদ্যোগে নাগরিকদের নিয়ে গড়া জাতীয় নাগরিক পরিষদ সংবিধান পরিবর্তনের লক্ষ্যে আগে ‘গণপরিষদ’ নির্বাচন চায়।
এমন প্রেক্ষাপটে নির্বাচন কবে হবে তা জানতে আগ্রহী হয়েছে উঠেছে সাধারণ মানুষও, যারা বাজার দরের উর্ধ্বগতি আর বেকারত্বের চক্করে পড়ে নাজেহাল।
পুরান ঢাকার সূত্রাপুরের ক্ষুদ্র কাপড় ব্যবসায়ী সোবহান মিয়া বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ভাই, কত দিন লাগবো সংস্কার করতে? জিনিসপত্রের দাম হু হু কইরা বাড়ছে, দাম কমাতে পারছেন না, নির্বাচন দেবেন না- এটা কেমন কথা।
“কী কী সংস্কার করলে নির্বাচন ভালা হইব, হেইডা করেন? এভাবে মাসের পর মাস যাইব, বছর যাইব… এইডা হয় না।”
বিএনপিসহ বেশির ভাগ দলের বর্জনের মধ্যে ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের জয়ী হয়ে টানা চতুর্থ মেয়াদে ক্ষমতায় আসা আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আন্দোলন দানা বাঁধে সে বছর জুলাই মাসে।